মৌলভীবাজারে ৪লক্ষ ফিট চটের প্যান্ডালের কাজ শুরু
মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গণপৃর্ত বিভাগের নির্মানাধীন প্রকল্প এলাকায় ৬০ একর জায়গায় জেলা ইজতেমা মাঠের মূল প্যান্ডাল তৈরির কাজ শুরু করেছেন তাবলীগ জামাতের সাথীরা। আগামী বছরের ২৫ জানুয়ারী থেকে তিনদিন ব্যাপী এই ইজতেমায় প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের তাৎক্ষনিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সহায়তা দিতে ইতিমধ্যেই জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ সত্যকাম চক্রবর্তীকে আহবায়ক করে ও আমাকে সদস্য করে কমিটি করা হয়েছে । আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও তাবলীগ জামাতের সহায়তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে মনিটরিং করা হবে মাঠ ও মাঠের আশ পাশের এলাকাকে। এই কমিটি মাঠের জিম্মাদারদের সাথে সমন্নয় করে নির্ধারিত সময়ের পুর্বেই মাঠের দক্ষিন দিকে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। জানা গেছে- ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে তাবলীগ জামাতের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে ৬শত স্যানিটারী লেট্রিন , অজু ও গোসলের জন্য বিশাল পানির হাউজ। বিশুদ্ধ পানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে ৮টি গভির নলকুপ , এসব নলকুপ থেকে ৪৮ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন প্লাষ্টিকের অস্থায়ী পানির ট্যাংক স্থাপন করে তা সংযোগ হবে একহাজার ফুট দীর্ঘ পানির মূল হাউজের সাথে । প্রায় ২ থেকে তিন হাজার কুটির উপর তৈরি হবে লক্ষাধিক মানুষের বসার উপযোগী বিশাল চটের প্যান্ডাল। প্যান্ডাল তৈরিতে কুটি বসানো সহ সার্বিক কাজে স্বেচ্ছায় শ্রম দিচ্ছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলার বরুনা মাদরাসা , শেখবাড়ী মাদরাসা , সদর উপজেলার জামেয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসা, দারুল উলুম, রায়পুর ও আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী সহ তাবলীগ জামাতের সাথীরা। পাশাপাশি মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ফজলুর রহমান এর তত্ত্ববধানে পৌসভার নিজস্ব শ্রমিক ও যানবাহন দিয়ে মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। জেলা ইজতেমা মাঠে এক স্বেচ্চাসেবী জানান- বর্তমানে জেলা সদর সহ বিভিন্ন উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে এক বা একাধিক জামাত অবস্থান করছেন। স্বেচ্ছায় শ্রম দিতে শুরু করেছেন অনেকেই। বর্তমানে ইজতেমাকে সামনে রেখে অবস্থান করছেন ইংল্যান্ড ,মালোয়শিয়া সহ কয়েকটি বিদেশী জামাত। আঞ্চলিক এই জেলা বিশ্ব ইজতেমাকে সার্বিকভাবে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।